প্রতিনিধি ১৩ মে ২০২৬ , ১২:১৭:৩৮ প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টবাণী: গ্রামীণ জনপদকে শহরের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।মঙ্গলবার (১২ মে) নিজের সংসদীয় এলাকা হাটহাজারীর বিভিন্ন ইউনিয়নে আটটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনকালে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- সড়ক কার্পেটিং, আরসিসি ঢালাই, নালা (ড্রেন), কালভার্ট এবং সেতু নির্মাণসহ জনসাধারণের চলাচল সহজতর করার নানা অবকাঠামোগত উন্নয়নকাজ।
মীর হেলাল হাটহাজারী পৌরসভার শীলছড়ি সড়ক কার্পেটিং ও স্মার্ট এলইডি সড়ক বাতি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।
এ ছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের ছোট কাঞ্চনপুর সড়কে এইচবিবি নির্মাণকাজ এবং ফরহাদাবাদ ও ধলই ইউনিয়নে নবনির্মিত সেতু ও কালভার্টের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রতিমন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আজ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।
আমাদের মূল লক্ষ্য হলো শহর ও গ্রামের বৈষম্য কমিয়ে প্রতিটি অঞ্চলে সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে যে উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান, আমরা সেই সমৃদ্ধ আগামীর অভিযাত্রার গর্বিত সহযাত্রী।
তিনি বলেন, আমরা এমন এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে বিশ্বের বুকে পাসপোর্ট হাতে নিয়ে আমরা গর্বভরে বলতে পারব—আমরা বাংলাদেশি। আমাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই চেতনা ধারণ করতে হবে।
তিনি আশ্বাস দেন যে, হাটহাজারীর শিক্ষা, যোগাযোগ ও নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে ভবিষ্যতে আরও বড় প্রকল্প নেওয়া হবে।
উন্নয়নকাজের উদ্বোধনের পাশাপাশি এদিন প্রতিমন্ত্রী হাটহাজারী পৌরসভা প্রাঙ্গণে অতিদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ করেন। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি কঠোর বার্তা দেন। মীর হেলাল বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে একসঙ্গে থাকার ছবি কিংবা রাজনৈতিক পরিচয় কোনোভাবেই অপরাধ করার লাইসেন্স হতে পারে না। কেউ অপরাধে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের ভোগান্তির কারণ যেন দল বা অঙ্গসংগঠনের কেউ না হন।
আটটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল মুমিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিয়াজ মোরশেদসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।