প্রতিনিধি ২০ জানুয়ারি ২০২৬ , ১১:৪৭:৩১ প্রিন্ট সংস্করণ

মো:রমিজ আলী,সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একের পর এক গরু ডাকাতির ঘটনায় জনমনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গরু লুটের ঘটনা যেন নিত্যদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে। উপজেলার ১০ নং সলিমপুর ইউনিয়নের সিডিএ আবাসিক এলাকায় একটি ফার্ম থেকে ৭টি শাহিওয়াল জাতের গরু লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাত দল। এর আগেও সীতাকুণ্ডে বেশ কয়েকটি গরু ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারী) ভোর চারটার দিকে সলিমপুর সিডিএ আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ব্রাদার্স অ্যাগ্রো নামে একটি খামারে উক্ত ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
এসময় ডাকাতরা মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া নামে খামারের এক কর্মীকে কুপিয়ে আহত করে। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
জানা গেছে, ভোরে ডাকাতদল খামারের দেয়াল টপকে কয়েকজন ডাকাত বাচ্চু মিয়ার গলায় ছুরি ধরে তাঁকে জিম্মি করেন। এ সময় তিনি চিৎকার করা শুরু করলে তাঁর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রথমে দুটি কোপ দেওয়া হয়। এরপর আঘাত করে পায়ের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়। ব্রাদার্স অ্যাগ্রো’র মালিক সাজেদ চৌধুরী ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে অবস্থান করায় খামারকর্মী বাচ্চু মিয়া খামারটির দেখাশোনা করছেন।
লুট হওয়া গরুর মধ্যে ছয়টি ষাঁড় ও একটি গাভি। এসব গরুর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।খারাম থেকে গরু ডাকাতির কথা শুনেছেন বলে স্বীকার করেছেন ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সোহেল রানা। এদিকে গত ২৯ ডিসেম্বর গভীর রাতে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর বাঁশবাড়িয়ায় ইসমাইল হোসেনের মালিকানাধীন এন আই এগ্রো ফার্মে ডাকাত দল খামারী মালিকসহ দুইজনকে অস্ত্রের মূখে হাত, পা বেঁধে ১২টি গরু নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মালিক সীতাকুণ্ড মডেল থানায় মামলা দায়ের করলেও পুলিশ গরুর সন্ধান দিতে পারেনি।
ধারাবাহিক এসব ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন ভুক্তভোগীরা।