প্রতিনিধি ৬ মার্চ ২০২৫ , ১০:২৩:৫৫ প্রিন্ট সংস্করণ

নুরুল আবছার নূরী : ফটিকছড়ি উপজেলা বিভিন্ন জায়গায় মাটি খেকোদের অবাধ বিচরণ।এদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না ফসলি জমি,নদীর পাড়,চর, টিলা পাহাড়, সরকারি খাস জমি। ফটিকছড়ি উপজেলা ভুজপুর থানার নারায়নহাট গরু বাজারে পাশে খাস জমি থেকে স্কেভাটার দিয়ে মাটি কেটে পাশ্ববর্তী ইট ভাটায় ও দি পোলট্রি ফার্মে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্হানীয় একরাম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
একরাম আওয়ামিলীগ সরকারের আমলে ও একই নিয়মে মাট কাটতেন। রাজনৈতিক পট পরিবর্তন পর ও তার দৌরাত্ম কমেনি। বিভিন্ন সময়ে একাধিক উপজেলা প্রশাসনে অভিযানে তাকে জরিমানা করা হলেও কোনো ভাবে তাকে থামানো যাচ্ছে না।অভিযোগ রয়েছে বি,এন,পি জমাতের কিছু নেতা কর্মীর আর্শীবাদে তিনি আরও ব্যপোয়ারা হয়েছে উঠেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলা গহিরা-হেয়াকো সড়কের পাশে নারায়নহাট গরু বাজারে পাশ্ববর্তী স্হানে স্কেভেটর দিয়ে সরকারি ১নং খতিয়ান ভুক্ত খাস জমি বিশাল জমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ৫-৭ ফুট গভীর করে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে পাশ্ববর্তী ইটভাটায়,কারখানায়, ভিটে ভরাট কাজে। সেখানে একাধিক ড্রাম ট্রাক স্কেভেটের কাজ করছে। এতে পাশ্ববর্তী মালিকানাধীন শত শত একর ফসলি জমি ও ক্ষির সম্মুখীন হচ্ছে। সে দিন রাতে ড্রাম ট্রাকের চালক মোঃ ইউছুফের সাথে কথা হয়। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে কথা বলেন প্রতি গাড়ি ৮৫০ টাকার করে পাশ্ববর্তী ইটভাটায় মাটি সরবরাহ করছি। এখানে কে কি বলল তা আমার দেখার বিষয় নয়। এসব মাটি কারবারি একরাম নিজেই দেখা শুনা করে থাকেন।আমাদের কেউ বাধাদেনি আপত্তি ও করেননি।
স্হানীয়রা বলছেন মাটি খেকো এমরান সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামিলীগ নেতা হারুনুর রশীদের অনুসারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন সঙ্গে সঙ্গে তিনি তার দলীয় পরিচয় পাল্টিয়েছেন।স্হানীয় বি.এন.পির নেতা আবছার ও বালু জাফরের ছত্রছায়ায় আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। সবসময় ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে থাকায় ভয়ে কেউ মুখ খুলার সাহস পাচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সেলিম বলেন একরাম শুধু বালু,মাটির ব্যবসা করছে না সে নানান অপকর্ম করে।তাকে আগের সরকারের আমলে ও থামানো যায়নি,এখনো থামা যাচ্ছে না। তার এসব অপকর্ম বন্ধ করার জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
মাটি কাটার কথা অস্বীকার করেন এমরান বলেন ‘আমি মাটি কাটিনি, মাটি কাটার গাড়ি সরবরাহ করছি। মাটি কাটছে বি,এন,পির আবছার। তার সাথে কথা বলুন।
ওয়ার্ড বি এন পির আবছার বলেন আমি মাট কাটার সঙ্গে জরিত নই।মুলত মাটি কাটে এমরান। আমি দলীয় কর্মীদের জন্য কিছু খরচ চেয়েছি মাত্র।
নারায়নহাট ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের উপ-সহকারী কর্মকর্তা শেখ মোঃ শরফ উদ্দিন খান সাদি বলেন জায়গায়টি পরিদর্শন করে মাটি কাটার সত্যতা পেয়েছি। উর্ধবতন কর্মকর্তা সাথে কথা বলে এসব কাজে জরিত থাকার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন বালু-মাটি পাচারের বিরুদ্ধে প্রশাসন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান অব্যহত রয়েছে। বালু-মাটি মাটি কাটার সরঞ্জমাদি জব্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। দ্রুত ব্যবস্হা নেওয়া হবে।