• বিনোদন

    বলিউডে নিজের প্রথম সিনেমায় ‘সমকামিতায়’ সমালোচিত বাঁধন

      প্রতিনিধি ১০ অক্টোবর ২০২৩ , ১০:৫৮:৫০ প্রিন্ট সংস্করণ

    বিনোদন ডেস্ক: প্রতমবারের মতো বলিউডের সিনেমায় কাজ করলেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। নেটফ্লিক্সে মুক্তিপ্রাপ্ত ওয়েব ফিল্ম ‘খুফিয়া’র মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয়েছে তার।

    সিনেমাটি মুক্তির পর বাঁধনের অভিনয় যেমন প্রশংসা পেয়েছে, তেমনি কিছু কারণে বেশ সমালোচিতও হয়েছে। ছবিটির কাহিনী এগিয়েছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর এক অফিসারকে ঘিরে, যে ভূমিকায় অভিনয় করেছেন টাবু। বাংলাদেশে অপারেশনে এসে তার পরিচয় ঘটে হিনা রহমানের সঙ্গে। আর এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাঁধন।

    সিনেমায় বাঁধনকে একজন সমকামী হিসেবে দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশের পরিবার, সমাজ ও সামাজিক মূল্যবোধ অনুযায়ী এ চরিত্রটি তাই হয়ে পড়েছে প্রশ্নবিদ্ধ। পর্দায় টাবুর সঙ্গে বাঁধনের সমকামীতা নিয়েও আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।




    তবে এসব সমালোচনা তোয়াক্কা করছেন না বাংলাদেশি এই অভিনেত্রী। বলিউডে প্রথম ছবিতে স্বল্প স্ক্রিন উপস্থিতি থাকলেও বাঁধনের অভিনয় সমাদৃত হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    জন্মদিনে অন্যরকম ‘উপহার’ পেলেন বাঁধন
    এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বাঁধন বলেন, ‘বিশাল ভরদ্বাজ আমাকে আগেই বলেছিলেন, এই ছবিতে একটা সমকামিতার বিষয় রয়েছে। কোনও সমস্যা হবে কিনা জানতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমার কাছে বলিউডে অভিনয়, বিশাল ও টাবুর সঙ্গে কাজ করার সুযোগটাই বড় মনে হয়েছে।’




    তার কথায়, ‘আমি জানি কেউ কেউ বলাবলি করবে। সমাজের কিছু লোক সংকীর্ণ মনের। কিন্তু এটাও ঠিক বাংলাদেশ সবাইকে স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার দিয়ে রেখেছে।’

    বাঁধন আরও বলেন, ‘আমার বয়স এখন চল্লিশ। ৩৫ বছর বয়সে জীবন নতুন করে শুরু করেছি। তার আগে একটা বাঁধন ছিল, তারপরেও একজন বাঁধন রয়েছে। আগে পরিবার, বন্ধু, সমাজের জন্য বাঁধন বেঁচেছে। এখন বাঁধন বাঁচে নিজের জন্য। কোনও শিকল নেই তার।’




    প্রসঙ্গত, বিতর্কিত গল্পের কারণে এ সিনেমার কাজ প্রথমে না করে দেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। মেহজাবীন অভিনয় না করতে চাইলে সিনেমার পরিচালক বিদ্যা সিনহা মিমকে এ সিনেমায় কাজ করার প্রস্তাব দেন। ওই একই কারণে মিমও সিনেমাটিতে অভিনয় করতে অস্বীকৃতি জানান।

    থ্রিলার ঘরানার সিনেমাটিতে বাঁধন ছাড়াও অভিনয় করছেন টাবু, আলী ফজল, আশিস বিদ্যার্থী ও ওয়ামিকা গাব্বি। নেটফ্লিক্সের এ সিনেমাটি নির্মিতি হয়েছে অমর ভূষণের বই ‘এসকেপ টু নোহোয়ার’ অবলম্বনে। যেখানে গল্পের প্রয়োজনে একজন বাংলাদেশের অভিনেত্রীর প্রয়োজন ছিল পরিচালকের।