Warning: Undefined variable $query in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "post" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Undefined property: WP_Error::$cat_ID in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 92
মহানগর

হলের জানালা বিক্রি করতে গিয়েছিলেন চবি ছাত্রলীগ নেতা

  প্রতিনিধি ২১ জুন ২০২৪ , ৯:৫২:০০ প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: ঈদের ছুটিতে সবাই যখন বাড়িতে, সেই সুযোগে মাথায় আসে কুবুদ্ধি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাহজালাল হলের দুটি গ্রিলের জানালা কাপড়ে মুড়িয়ে রিকশাযোগে বিক্রির উদ্দেশে নেওয়ার পথে আটক হয়েছেন চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ জুয়েল।




বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকাল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা তাকে আটক করেন। পরে মুচলেকা নিয়ে এ ছাত্রলীগ কর্মীকে ছেড়ে দেয় প্রক্টরিয়াল বডি।

আটককৃত ছাত্রলীগ কর্মী চবির ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী। ক্যাম্পাসে বগিভিত্তিক উপগ্রুপ সিক্সটি নাইনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত জুয়েল। তিনি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন।

জানা গেছে, মোহাম্মদ জুয়েল ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজির সঙ্গেও জড়িত দীর্ঘদিন ধরে। ক্যাম্পাসে যেকোনো গাড়ি ঢুকলে চাঁদা আদায় করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বহিরাগত কেউ ক্যাম্পাসে ঘুরতে এলে তাদেরকে আটক করেও টাকা আদায় করা হয় এই ছাত্রলীগ কর্মীর নামে। মাদকের টাকা যোগাতেই এসব করে বেড়ায় বলে জানিয়েছে জুয়েলের সহপাঠীরা।




জুয়েল প্রশাসনের কাছে দেওয়া মুচলেকায় বলেন, ‘আমি ভুলবশত পরিত্যক্ত জানালার দুইটি গ্রিল অটোরিকশাযোগে বিক্রি করার উদ্দেশে শাহজালাল হল থেকে বাইরে নেওয়ার পথে জিরো পয়েন্টে মূল ফটকে আটক করা হয়। প্রক্টর মহোদয় উপস্থিত হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করবো না মর্মে অঙ্গীকার করলাম। যদি ভবিষ্যতে এমন কিছু করি, পুলিশ প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে ব্যবস্থা নেবে তা আমি স্বাচ্ছন্দ্যে মেনে নিব’।




সহকারী প্রক্টর মোহাম্মদ রিফাত রহমান বলেন, আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না, প্রক্টর স্যার ছিলেন। আটক শিক্ষার্থী আমার বিভাগের। সে আর এরকম কাজ করবে না বলে অঙ্গীকার করেছে। আমরা তার আরও অভিযোগের ব্যাপারে শুনেছি, বিষয়গুলো খতিয়ে দেখবো।




আরও খবর 25

Sponsered content