প্রতিনিধি ২৭ নভেম্বর ২০২৫ , ১০:৫৬:৩৭ প্রিন্ট সংস্করণ

মো:রমিজ আলী,সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আকবর শাহ, পাহাড়তলী ও খুলশী আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বৃহস্পতিবার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও মতবিনিময় করেন।
সকাল থেকেই তার নেতৃত্বে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ১নং থেকে ৯নং ওয়ার্ডে প্রচার–প্রচারণা শুরু হয়। সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গ্রাম–পাড়া–মহল্লা ঘুরে ঘরে ঘরে যান, প্রবীণ ভোটারদের খোঁজখবর নেন, তরুণদের সমস্যা শোনেন এবং নারী ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতামত সংগ্রহ করেন।
গণসংযোগকে ঘিরে পুরো ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পথচারী, দোকানদার, কৃষক, দিনমজুরসহ সাধারণ মানুষ তার সঙ্গে কথা বলেন এবং এলাকায় বিদ্যমান নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন— যেমন রাস্তা–ঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ সংকট, নিরাপত্তাহীনতা, মাদক সমস্যা, যুবকদের বেকারত্ব, চিকিৎসা সেবার অভাব ইত্যাদি।
গণসংযোগে ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা নেতা–কর্মীদের নিয়ে প্রচারপত্র বিতরণ, স্লোগান এবং পথসভা পরিচালনা করেন।
এ সময় কাজী সালাউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন—
“আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। সীতাকুণ্ডের প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার লক্ষ্য। এলাকার উন্নয়ন, ন্যায্য অধিকার ও ভরসার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই আমি মাঠে নেমেছি। জনগণ যদি সুযোগ দেয়, সীতাকুণ্ডকে একটি আধুনিক ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব।”
তিনি আরও বলেন—
“যুবসমাজ দেশের মেরুদণ্ড। কিন্তু তারা আজ কর্মসংস্থান সংকটে দিশেহারা। নির্বাচিত হলে বেকারত্ব দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে, নতুন কর্মমুখী প্রকল্প ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত সীতাকুণ্ড গড়ে তোলা হবে।”
সালাউদ্দিনের দাবি— জনগণ পরিবর্তন চায় এবং তারা নিজের এলাকার একজন ‘যোগ্য প্রতিনিধি’ চায়। তিনি বলেন,
“মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এলাকার রাস্তা, ড্রেনেজ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হবে।”
দিনব্যাপী গণসংযোগ শেষে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলেন, নির্বাচনী মাঠে প্রতিদিনই প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হচ্ছে এবং প্রার্থীরা জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে প্রতিনিয়ত প্রচারণা জোরদার করছেন। কাজী সালাউদ্দিনের সাম্প্রতিক প্রচারণাকে অনেকেই “সক্রিয় নির্বাচন প্রস্তুতির অংশ” হিসেবে দেখছেন।