Warning: Undefined variable $query in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "post" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Undefined property: WP_Error::$cat_ID in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 92
খেলাধুলা

সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ

  প্রতিনিধি ৩ মে ২০২৬ , ১২:২৫:২৫ প্রিন্ট সংস্করণ

খেলাধুলা ডেস্ক: মিরপুরে বৃষ্টিবিঘ্নিত তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। নির্ধারিত ১৫ ওভারের ম্যাচে ১৪.২ ওভারে ১০২ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

ফলে নিউজিল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০৩ রান। শুরুতে দ্রুত উইকেট হারালেও বেভন জ্যাকবস একাই সামলে নেন দলকে।

শেষ পর্যন্ত ২০ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে কিউইরা। ফলে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হলো সমতায়।
বৃষ্টিবিঘ্নিত তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। নির্ধারিত ১৫ ওভারের ম্যাচে ১৪.২ ওভারে ১০২ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

ফলে নিউজিল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০৩ রান।
এই ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে সফরকারীরা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বল হাতে জ্বলে ওঠেন শরিফুল ইসলাম। ওভারের শুরুতেই তার নিখুঁত লাইন-লেংথে বিপাকে পড়েন ওপেনার কাটেন ক্লার্ক। অফ স্টাম্পের বাইরে থাকা বল খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানা লাগিয়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে ক্যাচ দেন তিনি। ২ বলে ১ রান করে ফেরেন এই ব্যাটার।

নতুন ব্যাটসম্যান ডেন ক্লেভার শুরুতেই বিপদে পড়েন। রানের চেষ্টা করতে গিয়ে রানআউটের সুযোগ তৈরি হলেও স্টাম্পে লাগাতে পারেননি রিশাদ হোসেন, ফলে বেঁচে যান ক্লেভার।

তবে সেই ওভারেই শেষ পর্যন্ত ফিরে যেতে হয় তাকে। শরিফুলের বলে আবারও উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ক্লেভার। প্রথমে আম্পায়ার আউট না দিলেও রিভিউ নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। রিপ্লেতে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়। ৩ বলে ১ রান করে আউট হন ক্লেভার।

ক্রিজে তখন টিম রবিনসনের সঙ্গে ছিলেন নিক কেলি। রবিনসন আশা দেখালেও শেষ পর্যন্ত শরিফুলের বলেই ফিরে যেতে হয় তাকে। ১৪ বলে ২৩ রান করে ফেরেন তিনি। কেলি ধরা পড়েন শেখ মেহেদি হাসানের বলে। ৩৩ রানের মধ্যেই প্রথম সারির ৪ ব্যাটসম্যানকে হারায় সফরকারীরা। তবে বেভন জ্যাকবস ও ডিয়ান ফক্সক্রফট নিউজিল্যান্ডকে আশা দেখিয়েছেন। এই জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

৮ ওভারের সময় ম্যাচে একটি বিতর্কিত মুহূর্তও দেখা যায়। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে ফক্সক্রফটের বিপক্ষে কট বিহাইন্ডের আবেদন ওঠে। বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন রিভিউ নিলেও তখন ডিআরএস সাময়িকভাবে অচল থাকায় সিদ্ধান্ত যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এরপর ধীরে ধীরে চাপ কাটাতে থাকেন জ্যাকবস ও ফক্সক্রফট। পঞ্চম উইকেটে তারা ৩০ বলেই গড়ে তোলেন ৫০ রানের জুটি। তখন জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল খুব সামান্য রান।

এই জুটিতে আক্রমণাত্মক ভূমিকায় ছিলেন জ্যাকবস। ২৫ বলে ৪৪ রান করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন তিনি। অন্যদিকে ফক্সক্রফট খেলছিলেন ধীরস্থির ইনিংস, ১১ বলে করেন ১২ রান।

তবে বাংলাদেশের ফিল্ডিং ব্যর্থতা ম্যাচে বড় প্রভাব ফেলে। আগের ওভারে নিজের বলেই জ্যাকবসের সহজ ক্যাচ নিতে পারেননি শেখ মেহেদি। তখন তিনি ছিলেন ৪৫ রানে।

পরের ওভারে আবারও সুযোগ আসে। রিশাদ হোসেনের বলে সীমানায় সহজ ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন তানজিদ হাসান, তার হাত ছুঁয়ে বল চলে যায় ছক্কায়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাত্র ২৯ বলে নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক পূর্ণ করেন জ্যাকবস।

এরপর কেবল আনুষ্ঠানিকতা। পরের দুই বলেই একটি চার ও একটি ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করে দেন এই ব্যাটার। বাংলাদেশ হারে ৬ উইকেটে।

এর আগে শুরুটা ভালো হলেও দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। বৃষ্টি বাধার এই ম্যাচের সেই চাপ আর কাটাতে পারেনি স্বাগতিকরা। শেষ ৬ ব্যাটসম্যান মিলে যোগ করেন মাত্র ১৭ রান। বৃষ্টির জন্য নির্ধারিত ১৫ ওভারও খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৪.২ ওভারে সবকয়টি উইকেট হারিয়ে ১০২ রান সংগ্রহ করে লিটনরা।

ইনিংসের চতুর্থ ওভারে প্রথম ধাক্কা আসে। টি-টোয়েন্টি অভিষেকে জেডেন লেনক্স প্রথম বলেই সাফল্য পান। বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন সাইফ হাসান। ১১ বলে ১৬ রান করে ফেরেন এই ওপেনার।

তবে দ্রুতই পাল্টা আক্রমণ করেন লিটন দাস। ক্রিজে এসেই কয়েকটি বাউন্ডারিতে স্কোরের গতি বাড়ান তিনি। চার ও ছক্কায় অল্প সময়েই রান তোলার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।

কিন্তু পঞ্চম ওভারে আবারও ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ন্যাথান স্মিথের টানা দুই বলে দুই উইকেট হারায় দলটি। প্রথমে ভুল শট খেলে বোল্ড হন তানজিদ হাসান, ১০ বলে করেন ৬ রান। পরের বলেই পারভেজ হোসেন থার্ড ম্যানের হাতে ক্যাচ দেন, রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয় তাকে।

এভাবে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় মিলে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। ৬.৪ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৫০ রান থাকা অবস্থায় নামে বৃষ্টি। ফলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। নির্ধারিত সময় কমিয়ে আনা ১৫ ওভারের এই ম্যাচে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহ গড়ার পথ কঠিন করে ফেলে স্বাগতিকরা।

ইনিংসের নবম ওভারে অধিনায়ক লিটন আউট হয়ে গেলে বাংলাদেশের চাপ আরও বেড়ে যায়। জশ ক্লার্কসনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে কাভারে ক্যাচ দেন তিনি। ১৭ বলে ২৬ রান করে বিদায় নেন লিটন, তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কা। সেইসঙ্গে ভাঙে ২২ বলে গড়া ২৮ রানের জুটি।

এর কিছুক্ষণ পরই বিপদে পড়েন তাওহীদ। রান নেওয়ার চেষ্টায় রানআউটের শঙ্কায় পড়লেও কিপারের ভুলে জীবন পান তিনি।

পরের ধাপে আরেকটি ধাক্কা খায় দল। শামীম হোসেন ইশ সোধির একটি বল রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন। সহজেই ক্যাচ নেন ফিল্ডার। ৮ বলে ৩ রান করে ফিরে যান শামীম। একই ওভারে শেখ মেহেদি হাসান এলবিডব্লিউর শঙ্কা থেকে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান।

এরপর আরও চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। জশ ক্লার্কসনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন তাওহীদ। তিনি ৩৩ রান যোগ করেন। তার বিদায়ের পর আসা-যাওয়ার মিছিলে ছিল বাংলাদেশ। পরের ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১০২ রানে থামে বাংলাদেশ।

আরও খবর 16

Sponsered content