Warning: Undefined variable $query in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "post" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Undefined property: WP_Error::$cat_ID in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 92
পার্বত্য চট্টগ্রাম

থানচিতে ৪৩ একর অবৈধ পপিক্ষেত ধ্বংস করেছে যৌথবাহিনী

  প্রতিনিধি ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১১:৩৬:১৩ প্রিন্ট সংস্করণ

‎উমংনু মারমা, রোয়াংছড়ি: ‎দুর্গম পাহাড়,সীমান্তঘেঁষা জনশূন্য এলাকা আর প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল নিষিদ্ধ পপি চাষ। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) অবশেষে বড় ধরনের অভিযানে সেই চক্রের ওপর আঘাত হেনেছে যৌথ বাহিনী। বান্দরবানের থানচি উপজেলার গভীর পাহাড়ি অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৯ একর পপিক্ষেত ধ্বংস করা হয়েছে, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা।

‎গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি-এর সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ টহল দল পাহাড়ি দুর্গম পথ অতিক্রম করে অন্তত ১২টি পৃথক স্থানে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পপি গাছ উপড়ে ফেলে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যাতে পুনরায় তা ব্যবহার করা না যায়।

‎সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধ্বংস করা ক্ষেত থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ কেজি আফিম উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। উদ্ধার ও ধ্বংসকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

‎মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল বিশেষ করে ডিমপাহাড় ও সাঙ্গু নদী সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় গোপনে পপি চাষের বিস্তার ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব এলাকায় এখনও শতাধিক একরের বেশি জমিতে নিষিদ্ধ এ চাষাবাদ চলছে, যার পেছনে সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়।

‎আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, পার্বত্য অঞ্চলে মাদকচক্রের বিস্তার ঠেকাতে সীমান্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের মতে, পাহাড়ে মাদক উৎপাদনের উৎস ধ্বংস করা গেলে চোরাচালানও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

‎স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এমন ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো গেলে পার্বত্য এলাকায় মাদকচক্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া সম্ভব।

আরও খবর 29

Sponsered content