Warning: Undefined variable $query in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "post" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Undefined property: WP_Error::$cat_ID in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 92
জাতীয়

শুক্রবার মাঠে নামছে সব বাহিনী

  প্রতিনিধি ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ , ১২:১৪:০৮ প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টবাণী ডেস্ক: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাবসহ সব বাহিনী শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) মাঠে নামছে। বাহিনীগুলো মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিন দায়িত্ব পালন করবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সম্প্রতি (২১ ডিসেম্বর) জারি করা এক পরিপত্রে এমন নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সবাইকে পাঠানো হয়েছে।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, কমিশনের ভেটিং শেষে মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে।




এতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় মেট্রোপলিটন এলাকা, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে এবং পার্বত্য ও দুর্গম এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৫-১৬ জন ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৭ জনের পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের ফোর্স মোতায়েন থাকবে। প্রয়োজনে রিটার্নিং কর্মকর্তা এই সংখ্যা বাড়াতে পারবেন।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, নির্বাচনে আনসার সদস্য ৫ লাখ ১৬ হাজার জন, পুলিশ ও র‌্যাব এক লাখ ৮২ হাজার ৯১ জন, কোস্টগার্ড দুই হাজার ৩৫০ জন, বিজিবি ৪৬ হাজার ৮৭৬ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।

এদিকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের পক্ষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এইচ এম মাসীহুর রহমান ইসিসহ সংশ্লিষ্টদের এক চিঠিতে সম্প্রতি জানিয়েছেন, ২৯ ডিসেম্বর একটি সমন্বয় সেল গঠন করে আগামী ৩ থেকে ১০ জানুয়ারি ভোটের মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনী। এক্ষেত্রে তাদের অগ্রবর্তী টিমও মাঠে নামবে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের জন্য।

ওই চিঠিতে বলা হয়েছিল, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের প্রেক্ষিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের নিমিত্তে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে আওতায় সমগ্র বাংলাদেশের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় আগামী ০৩ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখ হতে ১০ জানুয়ারী ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত (যাতায়াত সময়সীমা ব্যতীত) সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত থাকবে।




দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ এর দায়িত্ব পালনের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর নিয়োজিত দলসমূহ ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য আইনি বিধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

যেভাবে পরিচালিত হবে সশস্ত্র বাহিনী:
(ক) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং সুবিধাজনক স্থানে নিয়োজিত থাকবে।

(খ) রিটার্নিং অফিসারের সাথে সমন্বয় করে জেলা/উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।

(গ) সশস্ত্র বাহিনীর টিমের সাথে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে এবং আইন, বিধি ও পদ্ধতিগতভাবে কার্যক্রম গৃহীত হবে।

(ঘ) সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান (মোতায়েন ছক) চূড়ান্ত করা হবে।




(ঙ) বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে চাহিদামত আইনানুগ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদন করা হবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের দিন, তার আগে ও পরে কার্যক্রম গ্রহণ ও মোতায়েনের সময়কালসহ বিস্তারিত পরিকল্পনা যথাশীঘ্র অবহিত করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে নির্বাচনের কয়েকদিন পূর্ব থেকে নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামো এবং নির্বাচনী পরিবেশ পরিস্থিতির উপর প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার নিমিত্তে অগ্রগামী/রেকীদল প্রেরণ করা যাবে। রেকিদল সমূহ সীমিত থাকবে।

২৯ ডিসেম্বর থেকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে একটি সমন্বয় সেল পরিচালনা করা হবে। এছাড়াও বাহিনীসমূহ প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় সেল স্থাপন ও পরিচালনা করবে।




এর আগে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ইসির অনুরোধে সম্মতি দিলে তারা ২৯ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য ভোটের দায়িত্ব পালনে আলোচনা হয়েছে। এরপর ইসির অনুরোধে রাষ্ট্রপতি সম্মতি জানালে সশস্ত্র বাহিনীকে তথ্য, উপাত্ত সংগ্রহের জন্য অগ্রবর্তী টিমকে মাঠে নামাতে বলে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক পরিপত্রে জানায় স্বশস্ত্র বাহিনী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি ভোটের দায়িত্ব পালন করবে।

আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ২৭টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৯৬ জন। তবে উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা এলে এই সংখ্যা আরো বাড়তে বা কমতে পারে।




দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ১০৩টি। আর ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন এবং নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। আর হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮৫২ জন।

চার লাখ ছয় হাজার ৩৬৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, দুই লাখ ৮৭ হাজার ৭২২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৪৪৩ জন পোলিং অফিসার, মোট নয় লাখ নয় হাজার ৫২৯ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও খবর 17

Sponsered content