প্রতিনিধি ২৭ নভেম্বর ২০২৫ , ১০:৩০:২৫ প্রিন্ট সংস্করণ

রমিজ আলী,সীতাকুন্ড: সীতাকুণ্ডের সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। উপজেলায় যোগদানের পর থেকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ভূমিসেবা পৌঁছে দেওয়া, ভূমিসেবা সহজীকরণ, ভূমি ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর এই কাজের স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার।
সম্প্রতি রাজধানীর তেজগাঁওস্থ ভূমি ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভূমিসেবায় শ্রেষ্ঠ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। ভূমি মন্ত্রণালয় এই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় পুরস্কার হিসেবে এসিল্যান্ডকে প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা স্বাক্ষরিত একটি সনদ ও সম্মাননা স্বরূপ একটি ক্রেস্ট। খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব সনদপত্র ও সম্মাননা তাঁর হাতে তুলে দেন।
ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে সীতাকুণ্ড উপজেলায় যোগদান করেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। যোগদানের পর থেকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ভূমি সেবা পৌছে দিতে বিশেষ অবদান রাখেন। ভূমি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বাস্তবায়নে দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সেবার মান বৃদ্ধিতে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে মূল্যায়িত। মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং, দ্রুত সেবাদান, ডিজিটাল সেবা ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহার এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করে তুলেছেন।
একইভাবে নামজারি সিস্টেমের অটোমেটেড ভার্সন ২.১ সারাদেশে একযোগে চালুকরণ ও ভূমিসেবা মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভূমিসেবায় কর্ম কৃতি-ভিত্তিক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেছিলেন। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা ও নাগরিকদের ভূমিসেবা প্রদান কার্যক্রম মূল্যায়নে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন।
সীতাকুণ্ড উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রাপ্তিতে কাজের গতি প্রসারিত হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে চেষ্টা করেছি প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করে সেবাপ্রার্থীদের সহজে সেবা প্রদান করতে। আমার এসব প্রচেষ্টায় উৎসাহ যুগিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক এবং ইউএনও স্যারসহ সিনিয়ররা।