Warning: Undefined variable $query in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "post" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Undefined property: WP_Error::$cat_ID in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 92
আন্তর্জাতিক

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী সেনাপ্রধান হচ্ছেন সুসান কয়েল

  প্রতিনিধি ১৪ এপ্রিল ২০২৬ , ১২:০৮:২৬ প্রিন্ট সংস্করণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর প্রধানের দায়িত্বে আসছেন একজন নারী। বর্তমানে ‘চিফ অব জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েল আগামী জুলাই মাসে সেনাবাহিনীর প্রধান (চিফ অব আর্মি) হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) অস্ট্রেলিয়া সরকারের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীর নেতৃত্বে রদবদলের অংশ হিসেবে প্রথম নারী হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধানের দায়িত্বে আসছেন সুসান।

তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের স্থলাভিষিক্ত হবেন।অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনীতে নারী কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়ানোর প্রচেষ্টার মধ্যেই এই নিয়োগ দেওয়া হলো।
বাহিনীটি দীর্ঘদিন ধরে যৌন হয়রানি ও বৈষম্যের অভিযোগের মুখোমুখিও হয়ে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, আগামী জুলাই থেকে অস্ট্রেলিয়ান আর্মির ১২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী সেনাপ্রধান থাকবেন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এই নিয়োগকে ‘অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘সুসান আমাকে বলেছিলেন—আপনি যা দেখতে পান না, তা হতে পারেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সুসানের এই অর্জন আজকের অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সে কর্মরত নারীদের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভবিষ্যতে যারা এতে যোগ দেওয়ার কথা ভাবছেন তাদের জন্যও অনুপ্রেরণাদায়ক হবে।’

৫৫ বছর বয়সী সুসান কয়েল ১৯৮৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, তিনি হবেন অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনীর যেকোনো শাখার প্রথম নারী প্রধান।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান সশস্ত্র বাহিনীতে নারীর অংশগ্রহণ প্রায় ২১ শতাংশ এবং সিনিয়র নেতৃত্বের পদে ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি ক্লাস অ্যাকশন মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে অভিযোগ করা হয়, হাজারো নারী সদস্যকে যৌন নিপীড়ন, হয়রানি ও বৈষম্য থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, সরকার সোমবার ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক হ্যামন্ডকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি অ্যাডমিরাল ডেভিড জনস্টনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

বর্তমান ডেপুটি চিফ অব নেভি রিয়ার অ্যাডমিরাল ম্যাথিউ বাকলি নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে হ্যামন্ডের জায়গা নেবেন।

আরও খবর 15

Sponsered content