চট্টবাণী ডেস্ক: সারাদেশেই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বেড়েছে। আগামী দু'দিন ভারী বর্ষণের এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এখন কালবৈখাশীর মৌসুম। তাই হঠাৎ হঠাৎ দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে। তবে এখন যেভাবে হচ্ছে সেটা আরও দুই-একদিন থাকবে।
অন্য এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এ অবস্থায় সোমবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। ঢাকায় দক্ষিণ-পশ্চিম/দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত ওঠে যেতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, কুমিল্লা, নোয়াখালি, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আগামী দু'দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। বর্ধিত পাঁচদিনে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে এবং তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
রোববার দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নেত্রকোনায় ৮২ মিলিমিটার। ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৩ মিলিমিটার।