• জাতীয়

    সনদ পেয়েছি মানেই শিক্ষা জীবন শেষ নয়: শিক্ষা উপমন্ত্রী

      প্রতিনিধি ৩০ অক্টোবর ২০২২ , ৯:০৪:০৫ প্রিন্ট সংস্করণ

    চট্টবাণী: শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, সনদ নিয়েই যাতে শিক্ষা জীবন শেষ না হয় সেদিকে আমাদের শিক্ষার্থীদের খেয়াল রাখতে হবে। সনদ পেয়েছি মানেই শিক্ষা জীবন শেষ নয়।পেশার উন্নয়নে, নিজের ভিত্তির উন্নয়নে প্রতিনিয়তই শিখতে হবে৷



    রোববার (৩০ অক্টোবর) সকালে নগরের টাইগারপাসে নেভি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

    নওফেল বলেন, প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করার পর কারিগরি শিক্ষাটাও আমাদের আয়ত্তে নিতে হবে। নিজেকে কর্মদক্ষ করে গড়ে তুলতে শিক্ষা চর্চার বিকল্প নেই। আমাদের উচ্চ শিক্ষার প্রয়োজন। আমাদের শিক্ষার্থীরা এখান থেকে সনদ নিয়ে যাতে এটাকে শেষ মনে না করে। তারা যাতে উচ্চ শিক্ষায় নিজেদের সম্পৃক্ত রাখে।



    তিনি আরও বলেন, ইংরেজি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভাষা। বিদেশে উচ্চ শিক্ষা পর্যায়ে যাওয়ার জন্য এ ভাষার গুরুত্ব রয়েছে। উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হলে নানান ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা গণিত সহ নানান বিষয়ে ভালো জ্ঞান রাখে কিন্তু সেটি ভালো করে উপস্থাপন করতে পারে না। তাই আমরা মৌলিক বিষয়গুলোর উন্নয়নে মাল্টি স্কিলের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে কাজ করছি।

    শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশেরই সম্পদ নয়, তিনি বিশ্ব নেতা উল্লেখ করে নওফেল বলেন, এক নির্বাচন থেকে অন্য নিবার্চনের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করছেন না, তিনি কাজ করছেন কয়েক প্রজন্মের জন্য। তিনি বাংলাদেশের জন্য শতবর্ষী রূপরেখা রেখা দিয়ে যাচ্ছেন। এমন একটি রূপরেখা তিনি দিয়ে যাচ্ছেন যা পরবর্তী প্রজন্মকে পথ দেখাবে।



    শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘে তিনি বাংলাভাষায় যেভাবে বক্তব্য দিয়েছেন সেটি বিশ্ব ব্যাপী সমাদৃত। পিতৃপ্রদত্ত অনেক গুণের অধিকারী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘে বাংলাদেশকে গৌরবময় ভূমিকায় উপস্থাপন করেছেন। তার ধারাবাহিক নেতৃত্ব বাংলাদেশকে যে বহির্বিশ্বে উন্নত থেকে উন্নততর মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করছে, জাতিসংঘের নানামাত্রিক সম্মাননা ও স্বীকৃতিতে সে বাস্তবতাই দেদীপ্যমান করে তুলেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুর সমাধান, বিশ্বব্যাপী শরণার্থী মানুষের দুঃখ দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে তা মোচনের জন্য অসাধারণ ভূমিকা পালন করেন।



    সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভারতের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক রবীন্দ্র ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. পবিত্র সরকার। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন।



    সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করেন ১১০৯ জন গ্র্যাজুয়েট। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় সমাবর্তনে তিনজন আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ও তিনজন পোস্ট গ্র্যাজুয়েটকে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল, তিনজন আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ও তিনজন পোস্ট গ্র্যাজুয়েটকে এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী গোল্ড মেডেল এবং তিনজন আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ও তিনজন পোস্ট গ্র্যাজুয়েটকে ভাইস-চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল প্রদান করা হবে। এছাড়া ১৮ জন আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ও ১৩ জন পোস্ট গ্র্যাজুয়েটকে ডিন অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে।