নুরুল আবছার নূরী : সংবাদ প্রকাশের পর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার সদর বিবিরহাট বাসস্ট্যান্ডে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের সি এন জি স্টেশন ও চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-প্রকৌশলীর কার্যলয় সামনে ফেলে রাখা দীর্ঘদিনের ময়লা আর্বজনা ডিভি ভাগাড়টি সরানো হল।
১৭ জুন মঙ্গলবার ফটিকছড়ি পৌরসভার গাড়ি দিয়ে শ্রমিকরা এই ময়লা আর্বজনা পরিষ্কার করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের উপর ময়লা আর্বজনা ফেলে সড়ক ও জনপদ(সওজ) বিভাগের কার্যালয় সামনের ময়লার ভাগাডে পরিপণত হয়েছিল। এর আগে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ফলাও ভাবে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হলে পৌর কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। ফলে তড়িৎ গতিতে অপসারণের ব্যবস্হা নেন।
স্হানীয়রা জানায়, বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সকাল থেকে পৌর কার্যালয়ের নিজস্ব ভ্যনেগাড়িতে করে অন্তত ১৮ জন নিজস্ব কর্মী এ কাজে অংশ নেয়।তারা পরিষ্কার পরিছন্নতার কাজ করে সুন্দর পরিণত করে।
পরিচ্ছন্নতা কর্মী মোঃ জানে আলম বলেন পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দেশ আমরা সকাল থেকে দীর্ঘদিনের ভাগডা অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন কাজে নিয়োজিত আছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সব ময়লা আর্বজনা পরিষ্কার করা হবে।
ফটিকছড়ি পৌর কর্মকর্ত সুমন চৌধুরী বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী নিদের্শে এসব আর্বজনা পরিষ্কার করা হয়েছে। এটি পৌর কর্তৃপক্ষের মিয়মিত রুটিং ওয়ার্ক। তা ছাড়া বিভিন্ন সাংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ হওয়ায় বেশি গুরুত্ব পায়।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সংবাদ মাধ্যমে বদান্নতায় আমার বিষয়টির বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। জানার কারণে আমাদের এসব কাজ করতে সুবিধা হয়।ভবিষ্যতে আমাদের এধারা অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশা করি। আমরা পৌরসভাকে একটি সুন্দর ও আধুনিকতায় সমুজ্জল রাখতে চাই।
এর আগে ময়লার ভাগডার দুর্গন্ধে পুরো এলাকা অস্বাস্থ্যকর হয়ে পরেছিল। এই সবের উৎকট দূর্গন্ধে চরম বিপাকে পরেছেন স্হানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীগণ। সদরের বাসস্টেশনের নিয়মিত মুসল্লী সাংবাদিক মোঃ শহিদুল আলম বলেন, আর্বজনা গুলো সরিয়ে ফেলাই আমরা পৌর প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা আশা করবো তাদের এ ধারা অব্যহত রাখবে।
ফটিকছড়ি উপজেলা পরিবেশ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোঃ সোলাইমান আকাশ বলেন, খোলাস্থানে ভাগাড়ের আর্বজনা অপসারণ করায় এখন মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।কর্তৃপক্ষের শুভ বুদ্ধি উদয় হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই।