Warning: Undefined variable $query in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "post" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 70

Warning: Undefined property: WP_Error::$cat_ID in /home/jagosong/chattabani.com/wp-content/themes/j-news/single.php on line 92
জাতীয়

রামপুরা ট্রাফিক বক্সে হেনস্তার শিকার সাংবাদিক

  প্রতিনিধি ৫ অক্টোবর ২০২৫ , ১১:৩৯:২৯ প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টবাণী ডেস্ক: অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম-এর সিনিয়র মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার তোফায়েল আহমেদকে ট্রাফিক পুলিশের বক্সে নিয়ে হেনস্তা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তোফায়েলের অভিযোগ, মতিঝিল বিভাগের রামপুরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) নুছরুত হাছান তাকে ‘নেক্সট টাইম পেলে লটকে রাখার’ হুমকি দিয়েছেন।

যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাছান। পরে অবশ্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর রামপুরার ব্রিজের সামনে মোটরসাইকেলযোগে যাওয়ার সময় তোফায়েলকে থামায় ট্রাফিক পুলিশ। তখন মোটরসাইকেলের কাগজপত্র নিয়ে বাহাসের এক পর্যায়ে তাকে ট্রাফিক বক্সে নিয়ে হুমকি দেওয়া হয়।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমার গাড়ির কাগজপত্র অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে। আমাকে ট্রাফিক পুলিশ থামানোর পর তারা গাড়ি থেকে চাবি নিয়ে নেয়। এরপর আমাকে বলা হয়, ট্রাফিক বক্সের মধ্যে এসি (সহকারী কমিশনার) আছেন, তার সঙ্গে কথা বলতে। আমি তার সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি আমাকে ১০ মিনিট গালাগাল করেন। এরপর টিআইও আমার সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেন, যা পুলিশ বক্সের সিসি ক্যামেরায় রেকর্ড আছে। এরপর এসি বলেন, ‘ওর গাড়ির চাবি দিয়ে দাও, নেক্সট টাইম ওকে পেলে ওর গাড়িসহ লটকাইয়া রাখবা’।

তোফায়েল বলেন, যখন এই কথা বলে তখন আমি আমার মোবাইল ফোন বের করে ভিডিও করতে গেলে টিআইএস আমার হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেন।

তোফায়েলের সঙ্গে এ আচরণের খবর শুনে সেখানে ছুটে যান তার সহকর্মী সাংবাদিকরা। তখন সহকর্মীরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করেন এসি হাছান। তিনি দায়িত্ব পালনের স্বার্থে সামান্য উচ্চবাচ্য করার কথা বলেন।

এসময় সেখানে ফোনকল করেন ট্রাফিক পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) দেওয়ান জালাল উদ্দিন চৌধুরী। তিনি ঘটনাটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ট্রাফিক পুলিশের কোনো কর্মকর্তার অপরাধ হয়ে থাকলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

পরে তোফায়েলকে নিয়ে ট্রাফিক বক্স থেকে বেরিয়ে আসেন তার সহকর্মী সাংবাদিকরা।

এদিকে এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংবাদকর্মীরা।

আরও খবর 17

Sponsered content