নুরুল আবছার নূরী : ফটিকছড়ি উপজেলা ভুজপুর থানার নারায়নহাট সড়কে গাছ ফেলে ব্যারিকেট দিয়ে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের নেতা মোঃ একরামুল হকের বিরুদ্ধে।
৫ মার্চ বুধবার ভোররাতে গহিরা-হেয়াকো সড়কে নারায়হাট নন্দীর স্কুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। যুবদলের নেতা মোঃ একরামুল হক উপজেলার ভুজপুর থানার যুব দলের যুগ্ম আহবায়ক। তবে তিনি এ ঘটনা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি গভীর রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। চোরাই গাছ কাটা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। সকালে লোকের মুখে শুনেছেন গাছ কাটা বন্ধ করতে কিছু কর্মী রোষের শিকার হয়েছেন। তার সাথে থাকা কেউ অপরাধে জড়িত নন। ফলে তাদের ছেড়ে দিয়েছেন।
আটকরা হলে মোঃ জাহেদ (২৫),বোরহান (২৬),আকিব (২৭), কুদ্দুস (৩৫), আশিক (২৫) মনা মিয়া(২৯)।তার সকালে যুব দলের নেতা মোঃ একরামুল হকের অনুসারী এবং স্হানীয় বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের নারায়নহাট রেঞ্জের আওতাধীন বনবিটের বড়ইতলী এলাকা থেকে পারমিট করা গাছ কাটার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা ৬ জনকে আটক করে পুলিশে দেন।বড়ইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছন থেকে তাদের আটক করা হয়। এই সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ৯টি মোটরসাইকেল এবং কেটে ফেলার বিভিন্ন প্রজাতির ১৫টিগাছ জদ্ধ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী স্হানীয় বাসিন্দা মোঃ আবু তাহের জানান যুবদলের নেতা মোঃ একরামুল হকের নেতৃত্বে কিছু যুবক রাতে অন্ধকারে গাছ কেটে নেয়ার জন্য জড়ো হয়।রাত গভীর হলে সাঙ্গপাঙ্গদের দল ভারি হতে থাকে। প্রশাসন ও স্হানীয়রা ঘুমে আচ্ছন্ন হয়লে সেহরির সময় হলে তার গাছ কেটে সাবাড় করেন খবর পেয়ে জনগণ তাদের আটক করে পুলিশে দেন। পুলিশ তাদের থানায় নিওয়ার পথে ব্যরিকেড দিয়ে গাড়ি গতিরোধ করে গাড়ি থেকে তাদের ছিনিয়ে নেন।
দাতঁমারা ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিউল আজম চৌধুরী বলেন, দলের ভাবমূর্তিক্ষুন্ন হয় এমন কাজ করা চরম অন্যায়। এধরনের কাজ দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে। যদি বিষয়টির সাথে দলের কেউ জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্হা নিতে কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে।
দাতঁমারা তদন্তের পুলিশ ফাড়িঁর সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শরিফুল ইসলাম বলেন আটকদের নিয়ে নেপচুন চা-বাগান হয়ে থানার দিকে যাচ্ছিলাম। এমন সময় যুবদলের নেতা মোঃ একরামুল হক ও ছাত্রদলের নেতা মোঃ ইয়াকুবের নেতৃত্বে শতাধিক লোক সুইস গেইট এলাকায় ব্যরিকেট দিয়ে তাদরকে ছিনিয়ে নেন।
ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবুল হক বলেন এই মূহুর্তে ঘটবাটি আতংকিত ও অনভিপ্রেত। আমরা বিষয়টি উর্ধ্বতনদের জানিয়েছে। খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্হা নেওয়া হচ্ছে।