প্রতিনিধি ১৩ এপ্রিল ২০২৬ , ১২:৩০:৩৬ প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টবাণী: চৈত্রের শেষপ্রান্তে এসে প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় ফুলকি আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী ‘ছোটদের বৈশাখী মেলা’। মেলায় রয়েছে ছোটদের মজার বই নিয়ে ‘বইমেলা’।শিশুদের হাতে তৈরি জিনিস নিয়ে ‘কুটুমকাটাম’। রং আর চিত্র সমন্বয়ে ‘আঁকিবুকি’।
শিশুদের জন্য মজার ও বুদ্ধির খেলা নিয়ে ‘খেলামেলা’। খাবারের রকমারি আয়োজন নিয়ে ‘এসো বসো আহারে’ এবং পুরানো ব্যবহার্য দ্রব্যের প্রদর্শনী।
মেলা চলবে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।
রোববার (১২ এপ্রিল) মেলার উদ্বোধন করেন সেন্ট প্লাসিডস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রাদার স্যামুয়েল সবুজ বালা।
বিকাল সাড়ে চারটায় ফুলকির সুগত প্রসাদ বড়ুয়া মুক্তমঞ্চে সোনারতরী সাংস্কৃতিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হয় উদ্বোধন পর্ব। সোনারতরীর শিক্ষার্থীদের সঙ্গীতায়োজনের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা ও নৃত্যঞ্জলির পরিবেশনায় মেলা প্রাঙ্গণ হয়ে উঠে প্রাণবন্ত।
ব্রাদার স্যামুয়েল সবুজ বালা বলেন, ‘বাঙালি সংস্কৃতির রীতিগুলো আমরা প্রতিবছর পালন করি আমাদের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্য। ফুলকি শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের যে মূল্যবোধ তৈরি করছে তা নতুন প্রজন্মকে আরো সমৃদ্ধ করবে।
আবুল মোমেন বলেন, প্রতিবছর আমরা আমাদের গ্লানি, জরা সব ঘুচিয়ে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাই।
বক্তব্য দেন ফুলকি ট্রাস্টের সম্পাদক ওমর কায়সার ও সর্বাধ্যক্ষ শীলা মোমেন।
অতিথিরা মেলা উদ্বোধন শেষে স্টলগুলো শিশুদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এদিন এ কে খান মিলনায়তনে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় গল্পরাজ্যের পরিবেশনা ‘কুঁজ আর ভূত’।
মেলার দ্বিতীয় দিনে বিকেল তিনটায় ফুলকির সামনে রাস্তায় থাকছে ‘বৈশ্বিক যুদ্ধবিরোধী মানববন্ধন’। এরপরই থাকছে ফুলকির সঙ্গীত শিক্ষার প্রকল্প তানসেনের, শাস্ত্রীয় নৃত্য চর্চা কেন্দ্র নৃত্যাঞ্জলির পরিবেশনা এবং জাদু প্রদর্শনী।
পহেলা বৈশাখ সকাল সাড়ে আটটায় থাকছে শুদ্ধ সঙ্গীত চর্চার সংগঠন রক্তকরবীর সঙ্গীত পরিবেশনা। এরপর সকাল ১০টায় ব্রতচারী পরিবেশনা। সকাল ১১টায় ফুলকি সহজপাঠ বিদ্যালয়ের পরিবেশনা। বেলা ১২টায় গল্পরাজ্যের পরিবেশনা ‘কুঁজ আর ভূত’। বিকেল সাড়ে তিনটায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী এবং সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় গল্পরাজ্যের পরিবেশনা ‘কুঁজ আর ভূত’।
শেষদিন পহেলা বৈশাখ সকালে শিশুরা তাদের নতুন পোষাক পরে ফুলকির আঙিনায় জমায়েত হতে থাকবে। শিশুরা তাদের অভিভাবকদের সাথে মেলায় ভিড় করে আর যে যা খুশি কিনে বাড়ি ফিরবে আনন্দচিত্তে।