প্রতিনিধি ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ , ১১:০৪:১১ প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টবাণী ডেস্ক: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু ঘিরে উদ্ভূত অরাজক পরিস্থিতি আগে থেকেই আন্দাজ করা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তার মতে, এ ক্ষেত্রে আগাম প্রস্তুতি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যেত।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকারকে আমরা অনুরোধ করবো, যেন তারা সব ধরনের কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়। তবে এক্ষেত্রে সরকারের কিছু বিষয় নিয়ে সমালোচনারও জায়গা রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি আন্দাজ করা উচিত ছিল। গোয়েন্দা প্রতিবেদন থাকা দরকার ছিল এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আগে থেকেই নেওয়া উচিত ছিল।
তিনি আরও বলেন, কিছু নির্দিষ্ট স্থান আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছিল বলে আমরা দেখেছি। এর মাধ্যমে সারাদেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার কোনো অপপরিকল্পনা বা অপকৌশল আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তবে এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবে না উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, কোনো অপতৎপরতার মাধ্যমেই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ রুদ্ধ করা যাবে না।
এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, এ উপলক্ষে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকার যথেষ্ট সহযোগিতা করছে।
তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এটি কোনো জনসভা নয়। এটি ৩০০ ফুটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হবে। আজই বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। তারেক রহমান জনগণের সামনে উপস্থিত হবেন, জনগণকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাবেন। এটি সদস্যপদ বিতরণ বা জনসভা নয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আগামী ২৫ ডিসেম্বর এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।